ডা. সাবরিনার কত্ত কাহিনী!

মিলি সুলতান, নিউইয়র্ক থেকেঃ

এই ব্যক্তির নাম আহমেদ নাওয়াজ। সাবরিনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নাওয়াজের সাথে তার অসংখ্য ছবি আছে।

জেকেজির কেলেঙ্কারির ঘটনার কারণে যখন সাবরিনার চরিত্রের দরোজা জানালা সব খুলে গেলো, তখনই সে ছবিগুলো সরিয়ে নেয় তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। নাওয়াজের বনানীর বাসায় উদ্দাম পার্টির আয়োজন হয়। সেখানে যোগদান করে গুলশান বনানী বারিধারার ধনীশ্রেণির নারীরা। আরও অংশ নেয় ঢাকা চলচ্চিত্রের সি গ্রেডের নায়িকারা।

সেখানে যত আকাম কুকাম হচ্ছে। নাওয়াজকে এলিট ক্লাসের পতিতাদের সর্দার বলা হয়। তার আয়োজিত পার্টিতে মধু খেতে দুশ্চরিত্র সমাজপতিরাও হাজির হয়। তারা মদ নারী এবং উদ্দাম যৌনতায় নিজেকে ভাসিয়ে দিচ্ছে। আহমেদ নাওয়াজের নিজেরও চরিত্র নষ্ট।

তার বাসার ওপেন হাউজ আড্ডায় সাবরিনার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। হেলেনা জাহাঙ্গীরের জয়যাত্রার মেম্বার এই নাওয়াজ।

নাওয়াজের চরিত্র নষ্ট বলে তার বিদেশি স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে। এরপর ঢাকায় বিয়ে করে এবং টরি নামের এক যুবতীর সাথে লিভ টুগেদার করার কারণে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করে।

স্ত্রীর অপমৃত্যুর পরও নাওয়াজ লিভ টুগেদার চালিয়ে যায় টরির সাথে। তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েই লিভ টুগেদার শুরু করেছিল সে। কিন্তু স্ত্রীর মৃত্যুর এক বছর পরও নাওয়াজ টরিকে বিয়ে না করায় ২০১৯ সালের নভেম্বরে টরি স্লিপিং পিল খেয়ে সুইসাইড করে। তার বনানীর বাসায় প্রতিদিন মদ ও নারী নিয়ে খোলা বাজার বসে। সেখান থেকে ধনী পুরুষ মহিলাদের জন্য “বেড পার্টনার” ঠিক করে দেয় সে। তার টাকার উৎস কেউ জানেনা। জেল ফেরত আসামি এই নাওয়াজ।

-কেএম

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter