দুবাই ডিজাইন উইক-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ইশো

দুবাই ডিজাইন উইক-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ইশো

ব্যবসা-বাণিজ্যঃ
সর্ববৃহৎ ডিজাইন এবং ক্রিয়েটিভ ফেস্টিভাল দুবাই ডিজাইন উইক ২০২১-এ অংশগ্রহণ করল দেশের ট্রেন্ডি ফার্নিচার ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ইশো।

নভেম্বরের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত চলমান এই ফেস্টিভালে অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি প্রথমবারের মত জায়গা পেল বাংলাদেশী কোন প্রতিষ্ঠান।

ইশো’র প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়ানা হোসেন-কে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করতে এই ফেস্টিভালে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ‘ফিউচার অব হোমস’ ও গ্রাহকদের চাহিদা, অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি এবং নকশা কীভাবে আবাসিক স্থাপত্য ও অভ্যন্তরীণ রূপান্তর ঘটাচ্ছে, সে বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।

আমন্ত্রিত প্রথম বাংলাদেশি রায়ানা হোসেন তার বক্তব্যে কীভাবে আবাসিক স্থানগুলিতে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রভাব নকশায় ফুটে উঠেছে এবং চলমান মহামারি কীভাবে ভোক্তাদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তার মধ্যে গঠনমূলক পরিবর্তন এনেছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করেন।

ইশো’র প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়ানা হোসেন এই সেশন সম্পর্কে বলেন, “প্রথম বাংলাদেশী কোম্পানি হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়া সত্যিই গর্বের বিষয়।

ইশো আমাদের দেশকে এমন একটি মঞ্চে নিয়ে গিয়েছে যেখানে উদ্ভাবনী ডিজাইন সম্পর্কে বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা হয়। আমি আশাবাদী অচিরেই আমরা বাংলাদেশী উদ্ভাবন এবং ডিজাইনভিত্তিক ইভেন্ট আয়োজন করতে সক্ষম হব।”

আমন্ত্রিত অন্যান্য প্যানেলিস্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাপেল এবং বিএমডাব্লিউ এর মতো কোম্পানিতে ঊর্ধ্বতন ভূমিকা পালনকারী আমেরিকান ডিজাইনার রব ম্যাকিনটোশ।

এছাড়া এই সেশনে বক্তব্য রাখেন, এলিংটন প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট এলএলসি-এর গ্রুপ ডিজাইন ডিরেক্টর লরা বিলেকি। সেশনের মডারেটর ছিলেন আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট মিডল ইস্টের কন্টেন্ট পরিচালক প্রত্যুষ স্বরূপ।

উল্লেখ্য, স্বরূপ এবং বিলেকি দুজনেই দুবাই ডিজাইন সপ্তাহের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য।

আবাসিক নকশার দীর্ঘমেয়াদী ট্রেন্ড কীভাবে মানুষের রুচী, চাহিদা এবং সুযোগ-সুবিধার উপর নির্ভরশীল তার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ঘটনা, অভিজ্ঞতা, পরিষেবা এবং সীমাবদ্ধতাসমূহ আলোচনায় উঠে আসে।

এছাড়া প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ইন্টেরিয়র এবং ডিজাইনের উপর কিভাবে প্রভাব ফেলেছে, এ নিয়েও আলোচনা করা হয় সেখানে।

-শিশির

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter