রেল দূর্নীতি: রনিসহ ৩ জনকে জনগণের প্রতিনিধি নিয়োগ

রেল দূর্নীতি রনিসহ ৩ জনকে জনগণের প্রতিনিধি নিয়োগ

জাতীয় সম্পদঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনা নিয়ে আন্দোলন করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র মহিউদ্দিন রনিসহ ৩ শিক্ষার্থীকে রেলওয়ের অংশীজন সভায় প্রতিনিধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রণালয়।

অপর দুই শিক্ষার্থী হলেন- কামরুন্নাহার মুন্নী, রিফাত জাহান শাওন। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আলমগীর হুছাইন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মহিউদ্দিন রনি গণমাধ্যমকে বলেন, অংশীজন সভা সদস্য বলতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যত কর্মকর্তা, কর্মচারী, স্টাফ, রেলওয়ে পুলিশ, আনসার, সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধানদের সমন্বয়ে গঠিত মিটিং বা উন্নয়ন বোর্ড।

সেখানে আমাকে ও আমার বিভাগের একজন বড় বোন ও ছোটভাইকে সদস্য করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে পর্যবেক্ষক এবং সকল যাত্রীদের সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরে তাদের হয়ে কথা বলা বা চাপ প্রয়োগকারী প্রতিনিধি হিসেবে। যা একদমই বিনা পারিশ্রমিকে, কোনো প্রকার ব্যক্তি সুবিধা ছাড়া।

রনি বলেন, এটি কোনো চাকরি নয়। জনগণের অভিযোগ নিয়ে কথা বলার জন্য। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, ৬ দফা বাস্তবায়নসহ সকল যাত্রী ভোগান্তি দূর করতে এবং রেলওয়ের উন্নয়নে নিজের সর্বস্ব দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের দায়িত্ব পালন করবো।

এদিকে, রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে তারা গণসংযোগ ও সচেতনতা কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অধিকার ও অভিযোগ জানানোর নিয়ম-কানুন সম্পর্কে তাদের অভিহিত করেন রনি ও তার সহপাঠীরা।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৬ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত রেলওয়ের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে টানা ১৯ দিন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি চালান রনি।

শুরুতে একক হলেও পরবর্তীতে তার সঙ্গে সহপাঠীরা যোগ দেন। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। তার সঙ্গে সংহতি জানিয়ে দেশের বিভিন্ন স্টেশনে একাত্মতা প্রকাশ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

পরে, গত ২৫ জুলাই রেলপথ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বরত সচিব হুমায়ূন কবীর ও রেলওয়ের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর রনি কর্মসূচি স্থগিত করেন।

-আরপি

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter