স্টার্টআপ কোম্পানিদের ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দঃ পলক

স্টার্টআপ কোম্পানিদের ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দঃ পলক

তথ্য প্রযুক্তিঃ
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) উদ্যোগে “ফান্ডিং ইউর ভেঞ্চার: দ্যা ফার্স্ট স্টেপ” শীর্ষক একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এই ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক, এমপি। বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে আরও অংশ নেন শপআপ-এর সিইও আফিফ জামান, প্রিয়শপ ডট কমের সিইও আশিকুল আলম খান, বেসিসের সাবেক সভাপতি ও ভিসিপিইএবি-এর সভাপতি শামীম আহসান, এসবিকে টেকভেঞ্চারের সভাপতি ও জেনারেল পার্টনার সোনিয়া বশির কবির। অনুষ্ঠানে লাইট ক্যাসেল পার্টনারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিজন ইসলাম মুল বক্তব্য উপস্থাপনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক, এমপি বলেন,“স্টার্টআপ লিমিটেড কোম্পানির জন্য সরকার এ বছর ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্য থেকে ৫০টিরও বেশি কোম্পানিকে ফান্ড দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের উদ্দেশ্য; আত্ম কেন্দ্রিক নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশী বিনিয়োগ আমরা উৎসাহিত করতে চাই, একই সাথে দেশীয় উদ্যোগ গুলিকে সহায়তা দিতে চাই। আগামী ৫ বছরে আইটি খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করার টার্গেটের কথা জানান তিনি।

বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকারকে সহযোগিতা করবে লোকাল স্টার্টআপ কোম্পানিগুলো। বেসিসের অধীনে ১৫’শর অধিক মেম্বার কোম্পানি রয়েছে; এর অধিকাংশ নতুন ও ছোট কোম্পানি। তাদের জন্য আমরা বেসিস থেকে গ্রোথ ইকো সিস্টেম তৈরি করেছি।

বেসিসের সাবেক সভাপতি ও ভিসিপিইএবি-এর সভাপতি শামীম আহসান বলেন, “প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। তারা যাতে ভালোভাবে বিনিয়োগ কাজে লাগাতে পারে সেক্ষেত্রে ফান্ড রেইজিংয়ের ধাপগুলো তাদের স্পষ্টভাবে বুঝা দরকার।

এছাড়া স্টার্টআপ বিজনেসে নিজের ব্যক্তিগত প্রচারের চেয়ে বরং ভালোভাবে কাজ করা বেশী জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।”

এসবিকে টেকভেঞ্চারের চেয়ারম্যান ও জেনারেল পার্টনার সোনিয়া বশির কবির বলেন, “ বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আর্কষণ করতে হলে আমাদের স্টার্টআপ কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ডিং এবং ভালো কাজ দিয়ে সে জায়গা করে নিতে হবে। তাহলে বিনিয়োগকারীরাই বিনিয়োগের জন্য তাদের খুঁজে বের করবে’’।

শপআপ-এর সিইও আফিফ জামান বলেন, “ফান্ড রেইজিংয়ে সফলতার ক্ষেত্রে ফাইন্ডার মার্কেটিংয়ের জায়গা, বিগ অপরচুনিটি, টিম ও চিন্তা ভাবনা ও গবেষণাসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয়।

প্রিয়শপ ডট কমের সিইও আশিকুল আলম খান বলেন, “ফান্ড রেইজিংয়ের আগে বিজনেস মডেল এর দিকে নজর দিতে হবে এবং মার্কেট সম্পর্কে ভালো ধারনা নিতে হবে” ।

-শিশির

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter