১৭ নারী পেলেন ইন্সপাইরিং উইমেন অ্যাওয়ার্ড

১৭ নারী পেলেন ইন্সপাইরিং উইমেন অ্যাওয়ার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন ১৭ জন পেশাদার নারীকে সম্মানীত করেছে উইমেন ইন লিডারশীপ (WIL))।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ানের বলরুমে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইন্সপাইরিং উইমেন অ্যাওয়ার্ড তুলে দেয়া হয়। এটা ছিল ইন্সপাইরিং উইমেন অ্যাওয়ার্ড এর ৭ম আসর।

দেশের বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত নারীদের তাদের কাজের স্বীকৃতি এবং উৎসাহ প্রদানের লক্ষে এ অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়।

একই সঙ্গে আরো ১০ জন নারীকে বিশেষ সম্মানে ভুষিত করা হয়। এবারের আসরের থিম ছিল “WIL Women Change the Game”।

বাংলাদেশের নারীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে দেশের সার্বিক উন্নয়নের অংশীদার। বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক লড়াইয়ে নারীদের ভূমিকা বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। সারা পৃথিবীতে দেশের মান সমুন্নত রাখতে দেশের নারীরা অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশের গৌরব সমুন্নত রাখতে নারীদের এই ভূমিকাকে সম্মান ও স্বীকৃতি জানানোর প্রয়াসই উইমেন ইন্সপাইরিং অ্যাওয়ার্ড।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশের নারীদের দায়িত্ব নিতে এবং তাদের সম্ভাবনা উন্মোচন করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আয়োজক সংস্থা বিশ্বাস করে।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে উইমেন ইন লিডারশিপ এর প্রেসিডেন্ট নাজিয়া আন্দালিব প্রীমা বলেন, “এই অ্যাওয়ার্ড পেশাদার জগতের অভ্যন্তরে এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই নেতৃত্বের লড়াইয়ে নারীদের সাহায্য করবে বলে আমার বিশ্বাস। একজন নারী হওয়া সহজ নয়, তবে একজন অনুপ্রেরণাদায়ক হওয়া সহজ।“

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শরিফুল ইসলাম বলেন, “পুরুষ হিসেবে আমরা যতই নারীর জার্নি বোঝার চেষ্টা করি, আসলে তা বোঝা সত্যিই কঠিন, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো সীমিত সম্পতের দেশে।

পেশাদার সকল ক্ষেত্রেই নারীর অবদান সার্বিকভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে। সুতরাং তাদের কাজের মূল্যায়ন করাটাও আমাদের কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।“

পুরস্কারের জন্য এই বছর মোট ১২৫টি সংস্থা থেকে ৩৫০ জনেরও বেশি পেশাদার নারী মনোনয়ন পাঠিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞ পেশাদারদের সমন্বয়ে তিনটি জুরি প্যানেল চূড়ান্ত বিজয়ীদের বাছাই করেছেন এবং তাদের দুটি স্তরে পুরস্কৃত করেছেন।

গত ৬ বছর ধরে, উইমেন ইন লিডারশীপ পেশাদার নারীদের কর্মজীবনে নেতৃত্বের জন্য উৎসাহিত করে আসছে।

অনুপ্রেরণামূলক এই পুরস্কারটি প্রথমে ২০১৪ সালে দেওয়া হয়েছিল। তারপর থেকে এই পুরস্কারের অন্তর্নিহিত বার্তাটি হল– দেশের বৃদ্ধিতে নারীর প্রচেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া; নারী পেশাজীবী নারীদের ক্ষমতায়ন করা এবং সমাজে রোল মডেল তৈরি করা (ব্যক্তিগত এবং সাংগঠনিক উভয় পর্যায়ে)।

উইমেন ইন লিডারশীপ এর উদ্যোগ ৭ম ইন্সপায়ারিং উইমেন অ্যাওয়ার্ড এর এবারের আসরে পাওয়ারড বাই পার্টনার ছিল দারাজ; সাপোর্টেড বাই পার্টনার ছিল আকিজ টেবিলওয়্যার, জয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন, স্বপ্ন, অসাম এবং টিম।

কৌশলগত অংশীদার-বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম (বিসিএফ); ইভেন্ট পার্টনার-লা মেরিডিয়ান ঢাকা, টেকনোলজি পার্টনার – আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড; পিআর পার্টনার – ব্যাকপেজ পিআর এবং আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।

-শিশির

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter