এটি তো একটি সাংঘাতিক ব্যাপারঃ পাপন

স্পোর্টসঃ
বিপুল ভোটে জিতে নড়াইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

তার নেতৃত্বেই ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলবে টাইগাররা। দলনেতা থেকে জননেতা হয়ে ওঠা মাশরাফীর দ্বৈত ভূমিকা দেখতে মুখিয়ে আছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

বুধবার বিকেলে ধানমন্ডির বেক্সিমকো অফিসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন নাজমুল হাসান। সেখানে এমপি মাশরাফীর বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার ব্যাপারটিকে ইতিহাস হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। একইসঙ্গে নতুন ব্যাপারটি দেখতে রোমাঞ্চিত বলেও জানান দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার প্রধান।

‘এটি তো একটি সাংঘাতিক ব্যাপার। আমার মনে হয়, ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এটি হতে যাচ্ছে। আমার এটি জানা নেই বা কখনো শুনিনি যে, একজন পার্লামেন্ট সদস্য ক্রিকেট খেলছে মাঠে এবং অধিনায়কত্ব করছে। সুতরাং এটি পুরোপুরি নতুন হবে এবং আমি অনেক রোমাঞ্চিত এটি নিয়ে। আমার মনে হয় এরচেয়ে ভালো কিছু আর হতে পারে না।

জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাশরাফী নিজ এলাকার উন্নয়নে কতটা আন্তরিক সেটির কিছু উদাহরণও দিলেন বিসিবি সভাপতি, একটি জিনিস মনে রাখবেন যে, মাশরাফী রাজনীতিতে এসেছে এবং সে অনেকবেশি সিরিয়াস। ওর কিন্তু রাজনীতি করার পেছনে কী হবো এটার চিন্তা নেই। একটাই চিন্তা ওর মাথায়, সেটি হল এলাকার কাজ।

এলাকার মানুষের জন্য ও কিছু করতে চায়। আজকেও যতক্ষণ আমার সাথে ছিল একই কথা বলেছে যে, পাপন ভাই আমার এটি লাগবে, ওটা লাগবে। আমি শুধু বলেছি সব হবে, আগে শপথটি নিয়ে নাও, মন্ত্রীপরিষদ গঠন হোক, তুমি যা যা চাও সব হবে। এগুলো নিয়ে চিন্তা করো না। ও এগুলো নিয়ে অনেকবেশি আগ্রহী। এলাকায় কাজ করতে চায়।

‘এটি যেমন সত্যি তেমন ওর মনের মধ্যে যে সারাক্ষণ ক্রিকেটই আছে এতেও কোনো সন্দেহ নেই। কারণ ও একদম ওখান থেকে সরাসরি অনুশীলনে চলে গিয়েছে। বিপিএল শুরু হতে যাচ্ছে। সুতরাং নিজের খেলার প্রতি সম্পূর্ণ সিরিয়াস আছে, একটুকুও পরিবর্তন হয়নি। এর বড় প্রমাণ হচ্ছে, যখন আমরা নির্বাচনের মাঠে চলে গিয়েছি এবং এলাকায় কাজ করছি, তখন কিন্তু সে খেলছিল এবং খেলার মধ্যে ছিল। ও অনেক দেরি করে গিয়েছে (নির্বাচনী প্রচারণায়)। এটাই প্রমাণ করে এখনও খেলাটিই তার কাছে বেশি প্রাধান্য পায়।’ মাশরাফী প্রসঙ্গে এভাবেই বললেন নাজমুল হাসান।

Print Friendly, PDF & Email