ওয়াক থুঃ সানি লিয়ন!! থুঃ ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড!!

মিলি সুলতানা, কুইন্স, নিউইয়র্ক থেকেঃ

নিউইয়র্কে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড নামে বিচ্ছিরি অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখে মনে হয়েছে গোপন ব্যবসা বাণিজ্য ভালোই জমেছে।

আমাদের বাঙালি কম্যুনিটির তথাকথিত সাধু সন্যাসীদের ল্যাংটা তারকা সানি লিয়নের গায়ে গোত্তা খেয়ে পড়ার অবস্থা দেখে স্পষ্ট প্রমাণিত হয়েছে, উনারা আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছেন।আর দীর্ঘদিন থেকে আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভোগার সাইড ইফেক্ট হিসেবে উনাদেরকে অর্ধ উন্মাদও বলা যায়।

তবে সানি লিয়নের সাথে মিয়া খলিফাকে হাজির করলে আমাদের দেশের তারকারা ব্যাপক কিছু শিখতে পারতো। এদের চোখ শুকরের পশম দিয়ে ঢাকা বলেই সানি লিয়নের মত ন্যাংটো তারকাকে ভাড়া করে আনা এদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে।এরা নিজেদেরকে বাংলা সংস্কৃতির প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে পাগলের মত মনে মনে সুখ পায়।

এদের বীভৎস ছোবলের কারণে আমাদের বাংলা সংস্কৃতির অপমৃত্যু ঘটছে। বাঙালি ঐতিহ্য জাহান্নামে যাক, ধান্ধাবাজ বণিকদের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। ন্যাংটো তারকা সানি লিয়ন নিয়ে এদের লম্ফঝম্প দেখে আমি অবাক হইনি। কারণ এটাই তাদের নৈতিক চরিত্র।আমি অবাক হয়েছি সুবর্ণা মুস্তাফার বিকৃত চিন্তা চেতনা দেখে।

শক্তিমান অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার কন্যা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির পক্ষে বলে সুবর্ণা মুস্তাফাকে আমি শ্রদ্ধা করতাম। বর্তমানে তিনি একজন সম্মানিত সংসদ সদস্যও। আমি বুঝতে পারিনা সুবর্ণা মুস্তাফা কিভাবে এমন একটি বিচ্ছিরি প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য নিউইয়র্ক এলেন?? কিভাবে পারলেন? তাঁর নৈতিক চরিত্রের স্খলন দেখে আমি শব্দ সংকটে আছি। কুমড়া পচলে যা হয়, সুবর্ণা মুস্তাফার অবস্থাও তাই।

একজন সম্মানিত সংসদ সদস্য হয়ে আপনি যে নির্লজ্জতা নমুনা রেখেছেন তার জন্য আমাদের মত প্রবাসীদের খুবই লজ্জা হচ্ছে। কিন্তু আপনার লজ্জা কস্মিনকালেও হবেনা। ওয়াক থুঃ সানি লিয়ন!! থুঃ ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড!! থুঃ So called বাঙালি কম্যুনিটি!!

-এসএম