সাওল হার্ট সেন্টার-এ বিনা তেলে ইফতারির আয়োজন

সাওল হার্ট সেন্টার-এর বিনা তেলে বাঙালি ইফতারির আয়োজন

ঢাকা :
বিনা অপারেশনে হৃদরোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পথিকৃত সাওল হার্ট সেন্টার (বিডি) লিঃ মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর তেলযুক্ত খাবারের সংস্কৃতি বদলে দেয়ার সামাজিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

রান্নায় ব্যবহৃত বাড়তি তেল হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, অতিওজন, গ্যাস্ট্রিক-আলসার, বদহজম, ক্যান্সারসহ মারাত্মক সবরোগ-ব্যাধির সৃষ্টি করে। মানুষকে ঠেলে দেয় মৃত্যুর মুখে।রমজান মাসে অতরিক্ত তেল দিয়ে তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, যা সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদার ব্যক্তির শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
গত বছর ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর সাওল-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘অয়েল ফ্রি কিচেন’ এ বছরেও রমজান মাসজুড়ে বিনাতেলে তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু হরেক রকমের বাঙালি ঐতিহ্যবাহী ইফতারির আয়োজণ করেছে।ইস্কাটন গার্ডেন রোড-এ ‘অয়েল ফ্রি কিচেন’-এর ইফতারির স্টল-এ ছোলা, পিঁয়াজু, আলুচপ, বিফ হালিম, চিকেন পাকোড়া, বিভিন্ন ধরনের কাবাব ও কাচ্চি বিরিয়ানীসহ ২৫টিরও বেশি বিনা তেলে তৈরি ইফতারি আইটেম থাকবে।
আজ ইস্কাটন গার্ডেন রোডে ‘অয়েলফ্রিকিচেন’-এর ইফতারির স্টলে বিনা তেলে তৈরি ইফতারির এই মাসব্যাপী আয়োজন-এর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য জনাব আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
সাওল বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা কবি মোহন রায়হান বলেন, রমজান মাসে রোজা পালনের ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতিতো হয়ই না বরং উন্নতি হয় যদি সে সঠিক নিয়মে খাদ্য গ্রহণ করে। সারাদিন রোজা থাকার পর আমরা কী খাবো আর কী খাবো না সেটা একটা সুস্থ জীবন যাপনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
জনাব ম হামিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব; অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক; জনাব আব্দুল হাকিম মজুমদার, জনাব মাহবুব হোসেন, ডিআইজি, এসবি-ঢাকা, বাংলাদেশ পুলিশ ও জনাব চৌধুরী আবদুল্লাহ-আল-মামুন, ডি আই জি-ঢাকা রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ।

‘অয়েল ফ্রি কিচেন’-এর ইফতারির স্টল প্রতিদিন দুপুর ৩ টা থেকে খোলা থাকবে।

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter