সৌদির সাথে সম্পর্কটি বন্ধুত্বে রূপান্তরিত হয়েছেঃ অর্থমন্ত্রী

সৌদির সাথে সম্পর্কটি বন্ধুত্বে রূপান্তরিত হয়েছেঃ অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতিঃ
সৌদি আরবের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কটি গত অর্ধ শতাব্দীতে বন্ধুত্বে রূপান্তরিত হয়েছে। যার পিছনে রয়েছে সৌদিআরব ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব ও আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব।

বাংলাদেশ এখন বন্ধুত্বের উর্ধ্বে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর অংশীদারিত্বকে’ ধরে রাখার দিকে নজর দিচ্ছে।

বাংলাদেশ তার দ্বিপাক্ষিক বন্ধুদেশ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অব্যাহত ও বর্ধিত সমর্থন প্রত্যাশা করছে।

বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পরে দেশগুলির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই পারস্পরিক চুক্তির ভিত্তিতে একটি যৌথ কমিশন (জেসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে (১২/০২/২০২০) শেরে বাংলানগরে অর্থমন্ত্রনালযের সভাকক্ষে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সৌদি আরব যৌথ কমিশনের প্রতিনিধি দল। এসময় বাংলাদেশে আরো বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন।

মাননীয় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ এবার এমন একটা সময়ে এই যৌথ কমিশনের সভার আয়োজন করছে যখন দেশটি তার উন্নয়নের পথে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি এ বছর (২০২০) গোটা জাতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে। এই অধিবেশনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোরও আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরনে সহায়তা; কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে অবদান রাখতে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ; এসডিজি, পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং অন্যান্য জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য রেখে সহযোগীতা প্রত্যাশ করছে।

উল্লেখ্য যে, ইতোমধ্যে এ পর্যন্ত যৌথ কমিশনের বাংলাদেশ ও সৌদিআরবে ১২টি সভা হয়েছে। সর্বশেষ (১২তম) যৌথ কমিশন সভা ১৪-১৫ মার্চ, ২০১৮ সৌদিআরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হয়। ১২তম যৌথ কমিশন সভাটির ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ শেরেবাংলা নগরে ১৩তম যৌথ কমিশন সভা আয়োজন করেছে। জনশক্তি, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী, ধর্মীয় বিষয়, পর্যটন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষি ও ফিশারি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা ১৩তম যৌথ কমিশন সভায় এজেন্ডা এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগীতার এলাকা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বাংলাদেশের নেতৃত্বে রয়েছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ।

সৌদি আরবের ৪০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন সৌদি আরবের শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মাহির আবদুল রহমান আল গাসিম। সৌদিআরবের ARAMCO, ACWA Power, Bawany সহ বেসরকারী বেশ কিছু ব্যবসায়িক সংস্থার প্রতিনিধি সৌদিআরব দলের সাথে এসেছেন।

-ডিকে

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।