চোখে ট্যাটু করতে গিয়ে মডেল অন্ধ

চোখে ট্যাটু করতে গিয়ে মডেল অন্ধ

লাইফস্টাইলঃ

শরীরে ট্যাটু এখন ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে, ছেলে-মেয়ে উভয় ক্ষেত্রেই। কিন্তু তাই বলে চোখেও ট্যাটু! তাও আবার চোখের সাদা অংশে। এমন কাজ করতে গিয়ে ‘সম্পূর্ণ অন্ধ’ হওয়ার পথে আলেক্সান্দ্রা স্যাডোওস্কা (২৫) নামের এক মডেল। তিনি পোল্যান্ডের রোকলার এলাকায় বাস করেন। এমন খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইল।

আলেক্সান্দ্রা ঠিক করেন পোপেকের মতো লুক পেতে তিনিও চোখের মধ্যে ট্যাটু করাবেন। তাই চোখের সাদা অংশটি কালো রঙ দিয়ে ট্যাটু করাতে স্থানীয় এক ট্যাটু শিল্পীর কাছে যান তিনি।

সাধারণত আইবল ট্যাটুকে স্ক্লেরাল ট্যাটুও বলা হয়ে থাকে। এটি দেহ পরিবর্তনের একটি চূড়ান্ত রূপ যেখানে স্থায়ীভাবে রঙিন করার জন্য কোনো ব্যক্তির চোখের সাদা অংশে কালি দিয়ে ট্যাটু করা হয়। এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনো জানা যায়নি।

কিন্তু চোখে ট্যাটু করানোর পর থেকেই চোখে ব্যথার অভিযোগ করেন আলেক্সান্দ্রা। পিয়োটার এ নামের স্থানীয় এক ট্যাটু শিল্পী তার চোখের ভিতর ট্যাটু করে দেন। ওই ট্যাটু শিল্পী তাকে জানিয়েছিলেন, এই যন্ত্রণা স্বাভাবিক এবং পেইন কিলার খেলেই নাকি এই ব্যথা কম যাবে।

তদন্তে দেখা গেছে, চোখের মণিতে ট্যাটু আঁকতে গিয়ে ওই শিল্পী মারাত্মক ত্রুটি করেছিলেন। তিনি চোখের ট্যাটুর জন্য বডি ইংক ব্যবহার করেছিলেন যা চোখের সংস্পর্শে আসাই উচিত নয়।

তবে আলেক্সান্দ্রা স্যাডোওস্কাকে অনিচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মকভাবে অক্ষম করার অপরাধে ওই ট্যাটু শিল্পীর তিন বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

আলেক্সান্দ্রা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতে তিনটি পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে। তবে চিকিত্সকরা জানান, ট্যাটুর রঞ্জকটি তার টিস্যুতে পৌঁছে গিয়েছে ফলে দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার আর কোনো আশা নেই।

আলেক্সান্দ্রা বলেন, ‘দুর্ভাগ্যক্রমে, আপাতত চিকিত্সকরা আমার দৃষ্টির উন্নতির জন্য খুব একটা আশাবাদী নন।

ক্ষতিটা খুব গভীর এবং ব্যাপক। আমি আশঙ্কা করছি আমি সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যাবো।’ পিয়োটার এ’র ​​বিরুদ্ধে আদালতে শীঘ্রই মামলা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

-কেএম

Print Friendly, PDF & Email
FacebookTwitter